পর্তুগালে কর্মরত অভিবাসী শ্রমশক্তি দেশটির নিজস্ব নাগরিকদের তুলনায় গড়ে প্রায় ৯ বছর কম বয়সী এমন তথ্য উঠে এসেছে নতুন এক গবেষণায়। গবেষণাটি করেছে ‘প্রেপারা পর্তুগাল’ নামের একটি প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্ল্যাটফর্ম।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে পর্তুগালে কর্মরত অভিবাসী শ্রমিকদের গড় বয়স ছিল ৩৩ বছর। অন্যদিকে দেশটির নিজস্ব শ্রমশক্তির গড় বয়স দাঁড়িয়েছে ৪২ বছর। বয়সের এই পার্থক্য পর্তুগালের শ্রমবাজারে অভিবাসীদের গুরুত্বকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, পর্তুগালে বসবাসরত অভিবাসীদের ৮৫ শতাংশের বেশি মানুষ কর্মক্ষম বয়সে রয়েছেন। এটি দেশটির মোট জনসংখ্যার তুলনায় অনেক বেশি। অভিবাসীদের মধ্যে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের হার মাত্র প্রায় সাড়ে ৮ শতাংশ, যেখানে পর্তুগিজ নাগরিকদের মধ্যে এই হার ২৪ শতাংশের বেশি।
‘প্রেপারা পর্তুগাল’-এর শিক্ষাবিষয়ক পরিচালক হিগোর সেরকেইরা বলেন…
অভিবাসীদের এই তুলনামূলক কম বয়স পর্তুগালের শ্রমবাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে একদিকে যেমন জনসংখ্যার বার্ধক্যজনিত চাপ কমছে, অন্যদিকে বিভিন্ন খাতে শ্রমিক সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হচ্ছে।
বিশেষ করে নির্মাণ, পর্যটন, আতিথেয়তা, কৃষি, প্রশাসনিক সেবা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অভিবাসী শ্রমিকদের ভূমিকা দিন দিন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় শ্রমিকের ঘাটতি রয়েছে।
গবেষণাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন আগামী জানুয়ারিতে প্রকাশ করা হবে। সেখানে অভিবাসী শ্রমশক্তির অর্থনৈতিক প্রভাব ও ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণ বিষয়ে আরও বিস্তারিত বিশ্লেষণ তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে গবেষণা কর্তৃপক্ষ।


