গত বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে যে নতুন ‘ইলেকট্রনিক এন্ট্রি-এক্সিট সিস্টেম বা প্রবেশ-বের হওয়া সিস্টেমটি আগামী সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ও সীমান্ত কার্যকারিতায় সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে নেওয়া হয়েছে।
এই নতুন সিস্টেমের আওতায় শেনজেন এলাকার বাইরে থেকে আগত সকল পর্যটক ও ভ্রমণকারীর বায়োমেট্রিক তথ্য, যেমন আঙুলের ছাপ ও মুখের ছবি সংগ্রহ করা হবে, যা ইতোমধ্যেই অক্টোবর ২০২৫ থেকে ধাপে ধাপে বিভিন্ন দেশে কার্যকর হচ্ছে।
ইউরোপীয় কমিশনের অবস্থা অনুযায়ী, এটি সীমান্ত নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ আরও উন্নত করবে, তবে দ্বিতীয় পর্যায়ে সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে আরও সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা পূর্বাভাস দিয়েছেন যে, যদি সময় মতো প্রযুক্তি ও কর্মী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা না হয়, তবে গ্রীষ্মকালীন পর্যটক মৌসুমে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘ অপেক্ষার উপস্থিতি দেখা দিতে পারে, যার সম্ভাব্য প্রভাব ভ্রমণ সময়ে বড় ধকল রূপ নিতে পারে।
এই পদক্ষেপের ফলে ইইউ’র বাইরে থেকে আগত ভ্রমণকারীদের জন্য সীমান্তে কীভাবে ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণ হবে তা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যটন ও অভিবাসন-সংক্রান্ত পরিকল্পনায় কিছুটা পুনর্বিবেচনারও প্রয়োজন হতে পারে।


