২০১৬ সালের সেই বহুল আলোচিত ‘ব্রেক্সিট’ বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন খোদ ব্রিটিশদের মধ্যেই দেখা দিয়েছে নজিরবিহীন ধস। এক দশক পূর্ণ হওয়ার আগেই জনমত এমনভাবে পাল্টে গেছে যে, এককালের কট্টর সমর্থকদের বড় একটি অংশই এখন পুনরায় জোটে ফেরার পক্ষে মত দিচ্ছেন। এই নাটকীয় পরিবর্তন দেশটির বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
২০১৬ সালের সেই বহুল আলোচিত ‘ব্রেক্সিট’ বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন খোদ ব্রিটিশদের মধ্যেই দেখা দিয়েছে নজিরবিহীন ধস। এক দশক পূর্ণ হওয়ার আগেই জনমত এমনভাবে পাল্টে গেছে যে, এককালের কট্টর সমর্থকদের বড় একটি অংশই এখন পুনরায় জোটে ফেরার পক্ষে মত দিচ্ছেন। এই নাটকীয় পরিবর্তন দেশটির বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
সমীক্ষায় আরও দেখা গেছে, ১৮-২৫ বছর বয়সী তরুণদের মধ্যে ৮৬ শতাংশই মনে করেন যুক্তরাজ্যের উচিত পুনরায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হওয়া। মাত্র ১৪ শতাংশ তরুণ বর্তমান বিচ্ছিন্ন অবস্থার পক্ষে। উল্লেখ্য যে, ২০১৬ সালের সেই ঐতিহাসিক গণভোটের সময় এই প্রজন্মের অনেকেই ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি, কিন্তু এখন তাঁরাই ব্রেক্সিট পরবর্তী বাণিজ্যিক বাধা এবং অবাধ চলাচলের সুবিধা হারানো নিয়ে সবথেকে বেশি সোচ্চার।
২০২০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকে ব্রিটিশদের মধ্যে ‘ব্রেগ্রেট’ বা অনুশোচনা ক্রমেই বাড়ছে। জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদরা একে একটি ‘বিরাট অর্থনৈতিক ধাক্কা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ১০ বছর আগে যে ৫২% বনাম ৪৮% ভোটে বিচ্ছেদ কার্যকর হয়েছিল, বর্তমান জনমত বলছে সেই হিসাব এখন পুরোপুরি উল্টে গেছে। যদিও দ্বিতীয় কোনো গণভোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও আসেনি, তবে এই তীব্র জনমত নতুন এক রাজনৈতিক সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে।


