যুক্তরাজ্যে একটি লরিতে ৩৩ জন অভিবাসীকে আটকের ঘটনায় মানবপাচারের সন্দেহে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অবৈধ অভিবাসনে সহায়তা ও অর্থপাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।৫১ বছর বয়সী জাহিদ খানকে মঙ্গলবার বার্মিংহামের এর শেলডন হিথ রোড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এনসিএ জানিয়েছে, তারা যৌথভাবে একটি সন্দেহভাজন মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, চক্রটি লরির পেছনে করে অভিবাসীদের যুক্তরাজ্যে আনা–নেওয়া করত। এ ঘটনায় একই সময় গ্রেপ্তার হওয়া ৪৪ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তিকে অবৈধ অভিবাসনে সহায়তার সন্দেহে আটক করা হলেও পরবর্তী তদন্তের স্বার্থে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। তবে এনসিএ জানায়, অন্য একটি মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ার অভিযোগে তাকে পুনরায় হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
গত ৪ ফেব্রুয়ারি ডোভার এলাকায় ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নাগরিকদের বহনকারী একটি লরি আটকের পর এই তদন্ত শুরু হয়। লরিটি ফ্রান্সগামী ফেরিতে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় লরিচালককে গ্রেপ্তার করা হয়। এনসিএর শাখা অপারেশন ম্যানেজার পল জোনস বলেন, এই গ্রেপ্তারগুলো চলমান তদন্তের অংশ। তাদের সন্দেহ, একটি মানবপাচার চক্র এইচজিভি ব্যবহার করে চ্যানেল পেরিয়ে দুই দিকেই অভিবাসীদের পরিবহন করছিল। তিনি আরো বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরিবহন করা ব্যক্তিদের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং যুক্তরাজ্যের সীমান্ত নিরাপত্তার জন্যও হুমকি।


