ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের চলমান উত্তেজনা এখন ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। এই সংঘাতের আঁচ পৌঁছেছে ভূমধ্যসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্র সাইপ্রাস পর্যন্ত। বেশ কিছুদিন থেকে চলা এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের মধ্যে সাইপ্রাসে বেশ কয়েকটি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এমন পরিস্থিতিতে পুরো বিশ্ব যখন সাইপ্রাসের ভূমিকার দিকে তাকিয়ে, তখন দেশটি সাফ জানিয়ে দিয়েছে—তারা এই যুদ্ধে জড়াতে চায় না।
সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস ক্রিস্টোডৌলিডেস এক বিবৃতিতে পরিষ্কার করেছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক অভিযানে তার দেশ অংশ নেবে না। যদিও দেশটির ওপর হামলা হয়েছে, তবুও তারা অস্ত্রের লড়াইয়ে না গিয়ে মানবিক সাহায্য ও শান্তির পথেই থাকতে চায়। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত যাতে আরও ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্যই সাইপ্রাস নিজেকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেছেন, যুদ্ধের চেয়ে আর্তমানবতার সেবা করাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।
বিপজ্জনক ভৌগোলিক অবস্থানে থাকার পরও সাইপ্রাসের এই নিরপেক্ষ অবস্থান যুদ্ধ থামাতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় ওই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।


