দ্বৈত কর এবং গোপনীয় তথ্য বিনিময় নিয়ে দুটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করেছে পর্তুগাল ও যুক্তরাজ্য। সোমবার লন্ডনে বৈঠক শেষে বিষয়টি জানিয়েছেন পর্তুগিজ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাওলো র্যাঙ্গেল। দ্য পর্তুগাল নিউজ আজ এক প্রতিবেদনে এমন খবর জানিয়েছে।
দুটি চুক্তির মধ্যে একটি গোপনীয় তথ্য বিনিময় সংক্রান্ত। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দ্বৈত কর চুক্তি, যা ব্রেক্সিটের (২০২০) পর আর নবায়ন হয়নি। এ চুক্তি যুক্তরাজ্যে থাকা পর্তুগিজ নাগরিক, পর্তুগালে থাকা ব্রিটিশ নাগরিক এবং দুই দেশের কোম্পানির জন্য বিনিয়োগে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
পর্তুগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাওলো র্যাঙ্গেল
তিনি জানান, ব্রেক্সিটের পরই দ্রুত নতুন নিয়মে দ্বৈত কর চুক্তি করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় এবং এ বছরজুড়ে আলোচনার পর তা সম্পন্ন হয়েছে।
এসময় আরও বলেন…
এটি নিঃসন্দেহে বড় ধরনের অগ্রগতি। যুক্তরাজ্যে পর্তুগিজ নাগরিক, পর্তুগালে ব্রিটিশ নাগরিক এবং কোম্পানির জন্য এটি সুবিধাজনক হবে। বিনিয়োগেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে
পর্তুগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাওলো র্যাঙ্গেল
নতুন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপারের সঙ্গে বৈঠকে প্রথম বিদেশি মন্ত্রী হিসেবে স্বাগত পাওয়া প্রসঙ্গে র্যাঙ্গেল বলেন, এটি দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী জোটের প্রতীকী প্রকাশ।
উল্লেখ্য, ইউরোপের প্রাচীনতম সক্রিয় জোট হিসেবে ধরা হয় পর্তুগাল–ব্রিটিশ সম্পর্ককে। ১৩৭২ সালের ‘ট্রিটি অব ট্যাগিলডে’ দিয়ে এ জোটের সূচনা, যা ১৩৮৬ সালের ‘ট্রিটি অব উইন্ডসর’-এ আরও শক্তিশালী হয়।
এর আগে ২০২২ সালে লন্ডনে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন পর্তুগিজ প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও কস্তা। সে সময় স্বাক্ষরিত যৌথ ঘোষণায় পররাষ্ট্রনীতি, প্রতিরক্ষা, পরিবেশ, বিজ্ঞান, শিক্ষা, বাণিজ্য ও উভয় দেশে বসবাসরত নাগরিকদের সুরক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।


