আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সর্বশেষ পূর্বাভাসে দেখা গেছে পর্তুগাল ২০২৬ সালের জন্য ইউরোপের অর্থনৈতিক কর্মদক্ষতার দিক থেকে শীর্ষ দশভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে। সংস্থাটির ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বছরে দেশটির অর্থনীতি প্রায় ২.১ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে, যা ইউরোজোনে গড় বৃদ্ধি হারের প্রায় দ্বিগুণ।
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে যেখানে বাণিজ্য উত্তেজনা, জলবায়ু চ্যালেঞ্জ ও অঞ্চলভিত্তিক অসম দ্রুত পুনরুদ্ধার দেখা যাচ্ছে, সেখানে পর্তুগালের এই উন্নয়ন একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে, এই উন্নয়নের সাথে কাঠামোগত সংস্কার জরুরি বলেও প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। উৎপাদনক্ষমতা এখনও দেশটির মূল চ্যালেঞ্জ। উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশাসনিক সরলীকরণে দ্রুত কাজ না হলে গতিপথ স্থায়ী হবে না।
পর্তুগালের ক্ষেত্রে পরিষ্কার-প্রযুক্তি, পরিষেবা কেন্দ্রিক শিল্প, পরিবেশবান্ধব পর্যটন ও রপ্তানিমুখী খাতের দিকে ঝুঁকিকে “মানোন্নয়নের পথ” হিসেবে দেখা হচ্ছে।
একই সঙ্গে, প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে যে রপ্তানি এখনও স্পেনসহ কয়েকটি ইউরোপীয় অংশীদারদের ওপর বেশি নির্ভরশীল। এছাড়া সরকারি হিসাবের ভারসাম্য রক্ষা করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


