মঙ্গলবার, ২৭ই অক্টোবর, ২০২৬   |   ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোর মধ্যে কর্মক্ষেত্র-সম্পর্কিত মানসিক চাপ, বিষণ্নতা ও উদ্বেগের হার সবচেয়ে বেশি গ্রিসে। দেশটিতে এ হার ৪৯ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফিনল্যান্ড, যেখানে হার ৪৫ শতাংশ।

ইউরোপীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিটির (EESC) প্রকাশিত একটি ইনফোগ্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, এ তালিকার শীর্ষ পাঁচে আরও রয়েছে সাইপ্রাস, পোল্যান্ড ও স্পেন। দেশ তিনটিতে কর্মক্ষেত্র-সম্পর্কিত মানসিক চাপ, বিষণ্নতা বা উদ্বেগের হার যথাক্রমে ৪১, ৪১ ও ৪০ শতাংশ।

শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা

১. গ্রিস — ৪৯ শতাংশ
২. ফিনল্যান্ড — ৪৫ শতাংশ
৩. সাইপ্রাস — ৪১ শতাংশ
৪. পোল্যান্ড — ৪১ শতাংশ
৫. স্পেন — ৪০ শতাংশ
৬. এস্তোনিয়া — ৩৫ শতাংশ
৭. পর্তুগাল — ৩৪ শতাংশ
৮. বেলজিয়াম — ৩২ শতাংশ
৯. ক্রোয়েশিয়া — ৩২ শতাংশ
১০. হাঙ্গেরি — ৩২ শতাংশ

তালিকা অনুযায়ী, শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে গ্রিস ও ফিনল্যান্ডে এ হার সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে, এস্তোনিয়ায় ৩৫ শতাংশ এবং পর্তুগালে ৩৪ শতাংশ। বেলজিয়াম, ক্রোয়েশিয়া ও হাঙ্গেরিতে এ হার ৩২ শতাংশ।

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত চাপ, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, চাকরির অনিশ্চয়তা, প্রতিকূল কর্মপরিবেশ এবং কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনের ভারসাম্যহীনতা মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এসব ঝুঁকি কমাতে সহায়ক কর্মপরিবেশ, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং প্রয়োজনীয় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা গুরুত্বপূর্ণ।

তবে ইনফোগ্রাফিকে ব্যবহৃত জরিপের নমুনার আকার, তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি ও জরিপের সময়কাল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ নেই। তাই পরিসংখ্যানগুলো ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। এ ছাড়া, কর্মক্ষেত্র-সম্পর্কিত মানসিক চাপ, বিষণ্নতা বা উদ্বেগের সম্মিলিত হারকে চিকিৎসাগতভাবে শনাক্ত মানসিক রোগের হার হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।

কর্মক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা ইউরোপের শ্রমবাজারে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কর্মীদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি নিয়োগকর্তা ও নীতিনির্ধারকদের কার্যকর পদক্ষেপও প্রয়োজন।

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version