বৃহস্পতিবার, ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬   |   ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে তাঁর পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। তারেক রহমানের একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার এই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

এর আগে তিনি তাঁর পৈতৃক নির্বাচনী এলাকা বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকেও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তারেক রহমান অন্তত দুটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী কোনো আসনে প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভোটার হওয়া প্রয়োজন। দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসন শেষে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর গতকাল শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার হওয়ার জন্য সশরীরে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে গিয়ে বায়োমেট্রিক নিবন্ধন সম্পন্ন করেন। তিনি গুলশান এলাকার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

গুলশান, বনানী ও বারিধারা নিয়ে গঠিত ঢাকার এই হাই-প্রোফাইল আসনে বিএনপির অন্যতম শরিক দল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থের নির্বাচন করার কথা ছিল। এমনকি বিএনপি এই আসনটি পার্থের জন্য অনেকটা ‘ফাঁকা’ রেখেছিল। তবে তারেক রহমান এই আসনে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সম্মান প্রদর্শন করে আন্দালিব রহমান পার্থ ঢাকা-১৭ আসন ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দেন।

জানা গেছে, আন্দালিব রহমান পার্থ এখন তাঁর পৈতৃক আসন ভোলা-১ থেকে নির্বাচন করবেন। ইতিপূর্বে ২০০৮ সালে তিনি এই আসন থেকেই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তারেক রহমানের এই দ্বৈত আসনে প্রার্থিতা ঘোষণা বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। দলের নেতারা মনে করছেন…

তারেক রহমানের ঢাকা থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলীয় নেতা-কর্মীদের মনোবল আরও চাঙ্গা করবে।

অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, তারেক রহমানের ভোটার হওয়া বা নির্বাচনে অংশগ্রহণে আইনি কোনো বাধা নেই। ভোটার তালিকা আইনের বিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন যেকোনো যোগ্য নাগরিককে ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে পার।

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version