চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে পর্তুগালের সুপারমার্কেট এবং হাইপারমার্কেটগুলোর পণ্য পরিবহন খরচ প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এত দিন এই অতিরিক্ত খরচের চাপ কোম্পানিগুলো নিজেদের মুনাফার মার্জিন কমিয়ে বহন করলেও, ‘পর্তুগিজ অ্যাসোসিয়েশন অব ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিজ’ সতর্ক করেছে যে—জ্বালানি তেলের দাম এভাবে বাড়তে থাকলে পণ্যের দাম বাড়িয়ে সেই বোঝা ক্রেতাদের ওপর চাপানো হতে পারে।
সংস্থাটির মহাপরিচালক হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, কোম্পানিগুলোর পক্ষে এই বর্ধিত পরিবহন ব্যয় নিজেদের ঘাড়ে বহন করার একটি নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে।
পর্তুগালের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসা ও অর্থনৈতিক দৈনিক ‘জর্নাল দে নেগোসিওস’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ব্যাখ্যা করেন, এত দিন বিভিন্ন পরিচালনগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নিজেদের লভ্যাংশ কমিয়ে কোম্পানিগুলো এই খরচ সমন্বয় করে আসছিল। কিন্তু বাজারে যদি পেট্রোল ও ডিজেলের দাম এভাবে ক্রমাগত বাড়তেই থাকে, তবে সুপারমার্কেটগুলোতে বিক্রি হওয়া নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ানো ছাড়া আর কোনো বিকল্প থাকবে না।
বিশ্বের বিভিন্ন সংকটের প্রভাব তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়—মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ, প্রতিকূল আবহাওয়া ও তীব্র তাপদাহের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল ও খাদ্যপণ্যের দাম ক্রমাগত বাড়ছে।
এদিকে, চলতি সপ্তাহে পর্তুগালের সাধারণ খাদ্যপণ্যের ঝুড়ি বা ‘ফুড বাস্কেট’-এর মূল্যে সামান্য হ্রাস রেকর্ড করা হয়েছে। ক্রেতা অধিকার বিষয়ক সংস্থা ‘ডেকো প্রোটেস্টে’ পরিচালিত এক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এই সপ্তাহে খাদ্যপণ্যের ঝুড়ির দাম ১.৫০ ইউরো কমে ২৫২ ইউরোতে দাঁড়িয়েছে। তবে তা সত্ত্বেও এটি বছরের শুরুর তুলনায় এখনও ১০ ইউরো বেশি রয়েছে।
