গত ২২ আগস্ট থেকে নিখোঁজ থাকা মারভিন জর্জ নামের ২৩ বছর বয়সী এক যুবকের সন্ধান মিলেছে লিসবনের একটি হাসপাতালে। অন্যদিকে, ২৩ বছর বয়সী ব্রিটিশ শিক্ষার্থী জুলিয়ান আমারাল এখনও রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ রয়েছেন।
মারভিন জর্জের ঠিক কী হয়েছিল, কেন তিনি হাসপাতালে ভর্তি হলেন এবং পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি—সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। তবে সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর হলো তিনি জীবিত আছেন। ছেলের খোঁজে চলতি সপ্তাহে ফ্রান্স থেকে লিসবনে আসা মারভিনের মা উদ্বেগজনক এই অনুসন্ধানে সহায়তাকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
এদিকে, নিখোঁজ ব্রিটিশ শিক্ষার্থী জুলিয়ান আমারালকে নিয়েও একই ধরনের ভালো ফলের আশা করছেন পুলিশ ও তাঁর স্বজনেরা। জুলিয়ানের অন্তর্ধানের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ ও তাঁর পরিবার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
অ্যাঙ্গোলার গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, জুলিয়ানের সঙ্গে সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পরিবারের যোগাযোগ রয়েছে। জুলিয়ান নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই এই গুঞ্জন শোনা গেলেও তাঁর পরিবারের সদস্যরা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি; তারা কেবল একটি ভালো সংবাদের জন্য ব্যাকুল হয়ে অপেক্ষা করছেন।
