মঙ্গলবার, ২৫ই আগস্ট, ২০২৬   |   ১০ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পর্তুগালের পোর্তো শহরে আবর্জনার স্তূপ থেকে ১৫ লাখ ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি টাকা) ভর্তি একটি ব্যাগ খুঁজে পেয়েছেন এক গৃহহীন ব্যক্তি। আপাতদৃষ্টিতে গল্পটি রূপকথার মতো মনে হলেও, শেষ পর্যন্ত এটি এক চরম ট্র্যাজেডিতে রূপ নিয়েছে।

পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম এসআইসি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোর্তো শহরের একটি ডাস্টবিনের পাশে ফেলে রাখা ব্যাগে এই বিপুল পরিমাণ ইউরো খুঁজে পান ওই ব্যক্তি। মূলত প্লাস্টিকের বোতল ও ক্যান কুড়িয়ে রিসাইকেলিং সেন্টারে জমা দিয়ে কিছু টাকা উপার্জনের জন্য তিনি ডাস্টবিনে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। পর্তুগালের নতুন ‘ভোল্টা’ ব্যবস্থার আওতায় ক্যান ও বোতল ফেরত দিলে কিছু টাকা পাওয়া যায়, যার ওপর নির্ভর করে জীবন চলে দেশের অনেক দরিদ্র মানুষের।

ডাস্টবিনের পাশে একটি ব্যাগে থরে থরে সাজানো ইউরোর বান্ডিল দেখে ওই ব্যক্তি প্রথমে ভেবেছিলেন তাঁর ভাগ্য খুলে গেছে। ব্যাগের ভেতরে ২০০ ইউরো মানের ৭ হাজারেরও বেশি ব্যাংক নোট বা কাগজের নোট সাজানো ছিল, যার মোট মূল্য ১৫ লাখ ইউরো। তবে তাঁর সেই আনন্দ স্থায়ী হয়নি; কারণ পরীক্ষা করার পর দেখা গেছে নোটগুলোর সবকটিই ছিল জাল বা নকল।

এই ঘটনায় পুলিশ কীভাবে জড়িত হলো, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি এসআইসি। তবে পর্তুগালের পাবলিক সিকিউরিটি পুলিশ ব্যাগটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর দ্রুত নিশ্চিত হয় যে ভেতরের সব টাকা জাল।

পুলিশ জানিয়েছে, ‘এখন পর্যন্ত জানা যায়নি এই জাল নোটগুলো কার ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে এগুলো ডাস্টবিনের পাশে ফেলে রাখা হয়েছিল।’ পোর্তো শহরের পিএসপি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ ইতিমধ্যেই এই রহস্যময় জাল নোটের চালানের উৎস ও এর পেছনের অপরাধীদের খুঁজে বের করতে আইনি প্রক্রিয়া ও তদন্ত শুরু করেছে।


শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version