পর্তুগালের মাতৃস্বাস্থ্য সেবা খাতে এক উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। ২০২৪ সালে অ্যাম্বুলেন্সে শিশু জন্মের সংখ্যা ছিল ২৮টি, যা ২০২৫ সালে দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০-এ। গ্রামীণ ও আধা-শহুরে অঞ্চলে প্রসূতি বিভাগগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গর্ভবতী মায়েদের এখন দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে হাসপাতালে পৌঁছাতে হচ্ছে, যা এই পরিস্থিতির মূল কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর মেডিকেল ইমার্জেন্সি এর তথ্যমতে, ২০২৫ সালে হাসপাতালের বাইরে মোট প্রসবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৩-তে। এছাড়া প্যারামেডিকদের সহায়তায় হাসপাতালে পৌঁছানোর আগে মোট হস্তক্ষেপের সংখ্যা ২৭৭টি, যা আগের বছরের তুলনায় ২৩% বেশি।
সবচেয়ে বেশি সংকটে রয়েছে গুয়ার্দা, কাস্তেলো ব্রাঙ্কো, পোর্তালেগ্রে এবং বেহা এলাকা। এসব এলাকায় প্রসূতি জরুরি বিভাগ বন্ধ থাকায় গর্ভবতী মহিলাদের অনেক সময় ৬০ থেকে ৯০ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। বিপরীতে লিসবন, পোর্তো, কোভিলহা এবং এভোরা-তে প্রধান প্রসূতি কেন্দ্রগুলো এখনও সচল রয়েছে।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ – প্রসবের নির্ধারিত তারিখের আগেই আপনার স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে জেনে নিন নিকটস্থ কোন প্রসূতি ওয়ার্ডটি সচল আছে, প্রসবের লক্ষণ দেখা দিলে নিজে থেকে কমে যাওয়ার অপেক্ষা না করে দ্রুত হটলাইনে কল করুন।
