পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টেনেগ্রোর সাম্প্রতিক ‘সরকারি গ্যারান্টি’ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। গত দুই বছরের সাফল্যের খতিয়ান দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী যখন ৬০০ মিলিয়ন ইউরোর ক্রেডিট লাইনকে বড় সাফল্য হিসেবে দাবি করছেন, ঠিক তখনই ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা কনফেডারেশনের চেয়ারম্যান হোর্হে পিসকো একে ‘লোকদেখানো আড়ম্বর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
ব্যবসায়ীদের দাবি, চড়া সুদের এই কঠিন সময়ে সরকার সাহায্যের নামে আসলে তাদের ‘ঋণের জালে’ ফাঁসাতে চাইছে। পিসকো স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা নতুন করে ঋণ নিতে মোটেই আগ্রহী নন।
পর্তুগালের ব্যবসায়ীরা এখন প্রতিবেশী দেশ স্পেনের উদাহরণ টেনে সরকারের ওপর চাপ বাড়াচ্ছেন। স্পেন সরকার ইতোমধ্যেই ৫ বিলিয়ন ইউরোর এক বিশাল জরুরি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, যেখানে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ভ্যাট ২১% থেকে কমিয়ে ১০% করা হয়েছে এবং কৃষক ও পরিবহনকারীদের জন্য প্রতি লিটারে ২০ সেন্ট সরাসরি ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে।
পর্তুগিজ ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, ঋণের পরিবর্তে তাদের ‘অপ্রদেয় অনুদান’ বা সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হোক। বিশেষ করে কৃষি ও পরিবহন খাতের ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন যে, স্পেনের তুলনায় পর্তুগালের সরকার তাদের চরম অবহেলার শিকার বানাচ্ছে। হোর্হে পিসকো হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কর্মসংস্থান ও ব্যবসা বাঁচাতে সরকারকে এখনই স্পেনের মতো কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
