বুলগেরিয়ার প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ইলিয়ানা ইয়োতোভা। প্রাথমিক নির্বাচনী ফলাফলে তাঁর জয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। রোববার (১ নভেম্বর) রাতে উদারপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী আন্দ্রে গ্যুরভ পরাজয় স্বীকার করে নেন।
প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, ৬২ বছর বয়সী ইয়োতোভা পেয়েছেন ৫৭ থেকে ৫৮ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে গ্যুরভ পেয়েছেন ৩৯ থেকে ৪১ শতাংশ ভোট।
এ জয়ের ফলে প্রধানমন্ত্রী রুমেন রাদেভের রাজনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। তাঁর দল প্রোগ্রেসিভ বুলগেরিয়া গত এপ্রিলে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। দলটি ইয়োতাভার নির্বাচনী প্রচারেও সমর্থন দিয়েছিল।
ইয়োতোভা এর আগে রাদেভের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাদেভ সংসদীয় রাজনীতিতে যোগ দিতে পদত্যাগ করার পর গত জানুয়ারিতে তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন।
বুলগেরিয়া ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য হলেও প্রধানমন্ত্রী রাদেভ স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে আসছেন। ইউক্রেন নিয়ে ইউরোপের কয়েকটি উদ্যোগের বিরোধিতা করলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বজায় রেখেছে তাঁর সরকার।
গত জুলাইয়ে ইরান যুদ্ধের সময় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযানকে সহায়তা দিতে বুলগেরিয়ার বেজমার বিমানঘাঁটি ব্যবহারের অনুমোদন দেয় দেশটির সংসদ। এর ফলে আটটি মার্কিন কেসি-১৩৫ আকাশপথে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান, ২৫০ জন সামরিক সদস্য ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সেখানে মোতায়েনের সুযোগ পায়।
ইরানের আপত্তি ও হুমকি সত্ত্বেও এ অনুমোদন দেওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রী রুমেন রাদেভকে ধন্যবাদ জানান।
