রবিবার সকাল ৮টা থেকে ফ্রান্সের মূল ভূখণ্ড ও কর্সিকায় শুরু হয়েছে স্থানীয় নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট। প্রায় ৩৫,০০০ মিউনিসিপ্যালিটিতে ৪ কোটি ৮৭ লক্ষ ভোটার আজ তাদের নতুন স্থানীয় প্রতিনিধি ও মেয়র নির্বাচন করবেন। প্রায় ৯ লক্ষ প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনকে আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য একটি লিটমাস টেস্ট হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রায় ৩২,০০০ মিউনিসিপ্যালিটিতে আজই সরাসরি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ, প্রায় ৬৮% স্থানে মাত্র একটি করে প্রার্থীর তালিকা নিবন্ধিত হয়েছে। ২০২০ সালের নির্বাচনে মহামারীর কারণে ভোটার উপস্থিতি ছিল খুবই কম। এবার ভোটাররা কতটা কেন্দ্রে আসেন, তার ওপরই রাজনৈতিক দলগুলোর সাফল্য নির্ভর করছে।
ব্যতিক্রমীভাবে ৬৮টি মিউনিসিপ্যালিটিতে কোনো প্রার্থী নেই। সেখানে সরকার কর্তৃক নিযুক্ত প্রতিনিধিরা অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন চালাবেন। এবার বিদায়ী মেয়রদের পুনরায় নির্বাচনে লড়ার হার কমে ৬৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগে অনেক বেশি ছিল।
প্যারিসে বর্তমান মেয়র অ্যান হিদালগোর উত্তরসূরি হওয়ার লড়াইয়ে রক্ষণশীল দলের রশিদা দাতি এবং সোশ্যালিস্ট পার্টির ইমানুয়েল গ্রেগোয়ারের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া মার্শেই, নিস এবং নঁতের মতো বড় শহরগুলোতে দ্বিতীয় দফার ভোট ছাড়া ফলাফল নির্ধারণ কঠিন হতে পারে। গ্রিন পার্টি তাদের আগের ‘সবুজ ঢেউ’ বজায় রাখতে চায়, অন্যদিকে উগ্র ডানপন্থী দল ন্যাশনাল র্যালি স্থানীয় পর্যায়ে নিজেদের শিকড় আরও গভীরে নিতে মরিয়া।
অধিকাংশ ছোট জায়গায় সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হলেও প্যারিস ও লিঁও-র মতো বড় শহরগুলোতে রাত ৮টা পর্যন্ত ভোট নেওয়া হবে। রাত ৮টার আগে কোনো আনুষ্ঠানিক ফলাফল বা বুথ ফেরত জরিপ প্রকাশে কড়া নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
