বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬   |   ৪ঠা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলবেনিয়ার জনপ্রিয় পর্যটন শহর ক্সামিলে ২০ বছর বয়সী এক পর্তুগিজ পর্যটককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। আরও দুজনকে খুঁজছে তারা।

মঙ্গলবার ভোরে সারান্দের কাছে ক্সামিলের একটি বিচ বারে কয়েকজনের মধ্যে সংঘর্ষের পর এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, ভোর ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে প্রিন্সিপোটেস রিসোর্টের একটি বারের ভেতর বিরোধ শুরু হয়। পরে তা বাইরে সৈকত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।

তদন্তকারীদের অভিযোগ, ২৯ বছর বয়সী এক আলবেনীয় নাগরিক ওই পর্তুগিজ পর্যটককে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করেন। একই বয়সী আরেক ব্যক্তি তাকে ঘুষি মারেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই দ্বিতীয় ব্যক্তিকে এখনো খুঁজছে পুলিশ।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক নারীকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো তদন্তাধীন।

প্রধান সন্দেহভাজন পালিয়ে গেলেও মঙ্গলবারই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিরানার দিকে যাওয়া একটি গাড়ির ডিকিতে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ওই গাড়িতে থাকা ৩১ ও ৩৮ বছর বয়সী দুই তুর্কি নাগরিককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তারা সন্দেহভাজনকে চিনতেন এবং পালাতে সহায়তা করছিলেন।

এ ঘটনায় বারের নিরাপত্তাকর্মীদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে। সংঘর্ষের সময় তারা হস্তক্ষেপ করেননি এবং পরে পুলিশকে ঘটনাটি জানাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। বারটির মালিকও এখনো পলাতক এবং ঘটনাটি পুলিশকে না জানানোর অভিযোগে তাকে খোঁজা হচ্ছে।

ঘটনার পর ৪১ জনকে সারান্দে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। প্রধান সন্দেহভাজন ও পলাতক সহযোগীর বিরুদ্ধে যৌথভাবে ইচ্ছাকৃত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদের বিরুদ্ধে অপরাধীকে পালাতে সহায়তা এবং অপরাধের তথ্য গোপনের মতো অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে।

প্রধান সন্দেহভাজনের ইংল্যান্ডে অপরাধের রেকর্ডও রয়েছে বলে জানা গেছে। সেখানে কোকেন, অস্ত্র ও মাদকাসক্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর মতো অপরাধে তার সাজা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version