রবিবার, ৪ঠা অক্টোবর, ২০২৬   |   ১৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পর্তুগালের আলজেজুরের প্রত্যন্ত আবাসিক এলাকা ভালে দা তেলহায় অনিবন্ধিত অভিবাসীদের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত সপ্তাহে মাদক চোরাচালানবিরোধী অভিযানে যাদের আটক করা হয়েছিল, তাদের কয়েকজন এখনো এলাকায় অবস্থান করছেন।

অভিযানে যাদের বৈধ কাগজপত্র ছিল, তাদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। আর যাদের কাগজপত্র ছিল না, তাদের পরিচয়ও নথিভুক্ত করা হয়েছে। তবে কাউকেই এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়নি।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, ওই ব্যক্তিরা সাগরপথে নতুন মাদকের চালান আসার অপেক্ষায় রয়েছেন। ফলে এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

আলজেজুরের জাতীয় রিপাবলিকান গার্ড (জিএনআর) পোস্টে যোগাযোগ করা হলেও এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে যে তথ্য রয়েছে, তার বাইরে তারা আর কোনো তথ্য দিতে পারবেন না।

স্থানীয় একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজে প্রকাশিত পোস্ট থেকেই বেশিরভাগ তথ্য পাওয়া গেছে। সেখানে মরক্কোর কয়েকজন নাগরিককে বিভিন্ন বাড়ির বাগানে ঘুমাতে দেখা গেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তাদের ‘কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে’ এলাকায় ঘোরাফেরা করার কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি গুলির শব্দ শোনার অভিযোগও রয়েছে।

সব মিলিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে এখনো পরিষ্কার কোনো চিত্র পাওয়া যায়নি। তবে অনিবন্ধিত অভিবাসীদের এমন উপস্থিতিতে ভালে দা তেলহায় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। আবাসিক এই এলাকাটি সাধারণত এ ধরনের পরিস্থিতির সঙ্গে পরিচিত নয়।

স্থানীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আরেকটি পোস্টে ব্যঙ্গাত্মকভাবে দাবি করা হয়েছে, তরুণ মরক্কোর নাগরিকরা খাবার, ঘুমানোর জায়গা এবং ‘আইফোন চার্জ দেওয়ার জন্য বিদ্যুৎ’ চেয়েছেন, যাতে ‘নৌকা কখন এসে মাদকের চালান নামাবে’ তা জানতে পারেন। আরেক পোস্টে দাবি করা হয়েছে, জিএনআর ভালে দা তেলহায় ‘জ্বালানিতে ভরা’ একটি বাড়ির সন্ধান পেয়েছে।

তবে এসব দাবির কোনোটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।

উপকূলজুড়ে মাদক চোরাচালানকারী চক্রগুলোর তৎপরতা ঠেকাতে গিয়ে পুলিশের জন্য বড় সমস্যাগুলোর একটি হলো সন্দেহভাজনদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হওয়া। বিশেষ করে তাদের কাছে মাদক না পাওয়া গেলে অনেক ক্ষেত্রেই আইনগতভাবে তাদের আটক রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version