বুধবার, ২০ই মে, ২০২৬   |   ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত এক যাত্রীকে প্রমোদতরী (ক্রুজ শিপ) থেকে উদ্ধার করে কানাডায় পৌঁছে দিয়েছে একটি পর্তুগিজ বিমান। তবে এই ঝুঁকিপূর্ণ ফ্লাইটে কোনো সঠিক নিরাপত্তা দেওয়া হয়নি এবং নিজেদের চরম ‘অনিরাপদ’ মনে হয়েছে বলে বিমান সংস্থার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছেন বিমানের ১২ জন ক্রু ও পাইলট। 

‘ইউরোআটলান্টিক’ নামের ওই বিমান সংস্থাটি প্রথমে দাবি করেছিল যে, যাত্রীরা কেউ আক্রান্ত ছিলেন না এবং ক্রুদের শুধু সার্জিক্যাল মাস্ক ও গ্লাভস দেওয়াই যথেষ্ট ছিল। কিন্তু রবিবার (১০ মে) ফ্লাইটটি পরিচালনার চার দিন পর এক কানাডীয় যাত্রীর শরীরে এই মারাত্মক ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দেয়। ততদিনে বিমানের ক্রুরা তাদের সাধারণ ডিউটিতে ফিরে গেছেন এবং কাজের প্রয়োজনে অন্যান্য দেশেও ভ্রমণ করছেন, যা নতুন করে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে।

পর্তুগালের সাধারণ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই মুহূর্তে পর্তুগিজ জনগণের জন্য কোনো বড় ঝুঁকি নেই। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই হান্টাভাইরাসের লক্ষণ প্রকাশ পেতে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে, তাই বিপদ এখনও কেটে যায়নি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, এই ভাইরাসের কোনো টিকা বা সঠিক চিকিৎসা নেই এবং এতে আক্রান্ত হলে মৃত্যুর হার প্রায় ২৭ শতাংশ। ‘এমভি হোন্ডিয়াস’ নামের একটি প্রমোদতরী থেকে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়, যেখানে ইতিমধ্যেই ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৮ জনের শরীরে ভাইরাসটি নিশ্চিতভাবে ধরা পড়েছে।

তথ্যসূত্র: দ্য রেসিডেন্ট 

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version