শনিবার, ২৯ই আগস্ট, ২০২৬   |   ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার নতুন দফা বিমান ও ড্রোন হামলার সময় সেখানে অবস্থিত পর্তুগিজ দূতাবাসের মাত্র ৩০০ মিটার দূরে একটি ড্রোন বিস্ফোরিত হয়েছে। অত্যন্ত শক্তিশালী এই বিস্ফোরণে দূতাবাসের আশেপাশের কয়েকটি ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের কিছু আগে পর্তুগালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ড্রোন হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের পরও কিয়েভে নিযুক্ত পর্তুগিজ কূটনৈতিক মিশনের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারী সম্পূর্ণ অক্ষত ও নিরাপদ রয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বিবৃতিতে পর্তুগালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে—এই ঘটনা ইউক্রেনের সাধারণ নাগরিকদের প্রতিনিয়ত জীবননাশের যে ঝুঁকির মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তা আবারও প্রমাণ করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘কিয়েভে রাশিয়ার এই নতুন বিমান হামলার ঘটনাটি আবারও ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার আগ্রাসনের বর্বরতা এবং এই যুদ্ধ সাধারণ মানুষের জীবনের জন্য কতটা বড় ঝুঁকি তৈরি করছে, তা স্পষ্ট করে দিল।’

কিয়েভের ইভানা ফেদোরোভা সড়কের একটি বহুতল ভবনের চতুর্থ তলায় পর্তুগিজ দূতাবাসটি অবস্থিত।

ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি প্রধান শহরে রাশিয়ার রাতভর চালানো ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময়ই এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের বাহিনী কিয়েভ, জাপোরিঝিয়া, ক্রিভি রিহ, ক্রেমেনচুক এবং ওদেসা শহরে ইউক্রেনের সামরিক শিল্প ও লজিস্টিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে।

মস্কোর দাবি অনুযায়ী, কিয়েভ এবং এর আশেপাশের এলাকাগুলোতে ইউক্রেনের ড্রোন সংযোজন কারখানা এবং হামলাকারী ড্রোন, নিয়ন্ত্রণ স্টেশন ও যন্ত্রাংশ মজুত রাখার লজিস্টিক সেন্টারগুলো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। রুশ সামরিক বাহিনী আরও জানিয়েছে, তারা কিয়েভের অদূরে বোরিস্পিল এলাকার একটি লজিস্টিক হাব বা গুদামেও আঘাত হেনেছে, যা মূলত দ্বৈত-ব্যবহারের পণ্য ও ড্রোনের যন্ত্রাংশের একটি বড় গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।


শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version