রবিবার, ১২ই এপ্রিল, ২০২৬   |   ৩০ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পর্তুগালে গত দুই দশকে বায়ুর গুণমান উন্নত হলেও শহরগুলোতে এখনো ‘অদৃশ্য ঘাতক’ হিসেবে রয়ে গেছে বিষাক্ত বায়ু। নোভা এফসিটির গবেষক জোয়ানা মনজারডিনোর দেওয়া তথ্যমতে, বিশেষ করে লিসবন, পোর্তো এবং ব্রাগার মতো শহরগুলোতে গাড়ির ধোঁয়া ও নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইডের কারণে বছরে প্রায় ৫ হাজার মানুষ অকাল মৃত্যুর শিকার হচ্ছেন। যদিও ২০২৫ সালে দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান মানদণ্ড পূরণে সক্ষম হয়েছে, তবে ২০৩০ সালের নতুন ও কঠোর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা পর্তুগালের জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বায়ুদূষণ এখন পর্তুগালের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করছে। পিএম ২.৫ কণার কারণে বছরে ২,১০০ জন এবং নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইডের কারণে ৫৫০ জনের মৃত্যু হচ্ছে। গবেষক জোয়ানা সতর্ক করেছেন যে, কেবল প্রযুক্তিগত উন্নয়ন বা ইলেকট্রিক গাড়ি দিয়ে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়; বরং ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারের মানসিকতা ত্যাগ করে গণপরিবহন ও সক্রিয় গতিশীলতার দিকে ঝুঁকতে হবে। এছাড়া শীতকালে জ্বালানি কাঠ পোড়ানো এবং উত্তর আফ্রিকা থেকে আসা ধূলিকণা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাচ্ছে।

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version