শনিবার, ৩০ই মে, ২০২৬   |   ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পর্তুগালের জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা রক্ষা এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের জরুরি পরিষেবাগুলো পুনরায় চালুর দাবিতে লিসবনে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই শনিবার লিসবনে অবস্থিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সামনে ‘পাবলিক সার্ভিসেস ইউজার্স মুভমেন্ট’-এর ব্যানারে প্রায় ৫০ জন মানুষ এই সমাবেশে অংশ নেন। সপ্তাহব্যাপী চলমান আন্দোলনের চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে এই প্রতিবাদের আয়োজন করা হয়।

বিক্ষোভ শেষে আন্দোলনকারীরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একটি স্মারকলিপি পেশ করেন, যেখানে পাঁচটি মূল দাবি তুলে ধরা হয়েছে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—জাতীয় স্বাস্থ্য পরিষেবাতে সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য খাতের বাজেট বাড়ানো, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি নাগরিকের জন্য পারিবারিক স্বাস্থ্য দলের সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা। বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বন্ধ থাকা প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের জরুরি বিভাগগুলো অবিলম্বে খুলে দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।

সংবাদ সংস্থাগুলোতে পাঠানো এক বিবৃতিতে আন্দোলনকারীরা জানান, স্বাস্থ্য খাতের ক্রমবর্ধমান বেসরকারীকরণ বন্ধ করে সরকারি বিনিয়োগ জোরদার করা এখন সময়ের দাবি। তারা আরও উল্লেখ করেন যে, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কেবল অবকাঠামো নয়, বরং চিকিৎসকদের বেতন বৃদ্ধি, কর্মজীবনের সুযোগ তৈরি এবং উন্নত কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে মানবসম্পদ শক্তিশালী করা অপরিহার্য। একটি শক্তিশালী, সার্বজনীন ও উন্নতমানের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পক্ষেই এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version