পর্তুগালের নতুন ‘শ্রম আইন’ বাতিলের দাবিতে আজ শুক্রবার দেশজুড়ে বড় ধরনের ধর্মঘট ও বিক্ষোভ পালন করেছেন সরকারি ও বেসরকারি খাতের কর্মীরা। দেশটির প্রধান শ্রমিক সংগঠন CGTP-এর ডাকে এই কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এর ফলে পর্তুগালের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবহনসহ সব জরুরি পরিষেবাতে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটেছে।
আজকের এই ধর্মঘটের কারণে দেশটির অধিকাংশ স্কুল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। শিক্ষক ও গবেষকরা ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘটে অংশ নেওয়ায় ক্লাস নেওয়া সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতেও ধর্মঘটের বড় প্রভাব পড়েছে। তবে রোগীদের জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতালগুলোতে ন্যূনতম সেবা চালু রাখা হয়েছে। এছাড়া পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মী, হোটেল-রেস্তোরাঁ এবং সাধারণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলনে শামিল হয়েছেন।
রাজধানী লিসবনের সালদানহা এলাকায় সকাল থেকেই হাজার হাজার শ্রমিক জড়ো হতে শুরু করেছেন। এরপর সেখান থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে তারা দেশটির পার্লামেন্ট ভবনের সামনে গিয়ে জড়ো হয়েছেন। আন্দোলনরত শ্রমিকদের প্রধান দাবিগুলো হলো নতুন বিতর্কিত শ্রম আইন বাতিল করা, বেতন বাড়ানো এবং কাজের পরিবেশ ও অধিকার নিশ্চিত করা।
শ্রমিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তিয়াগো অলিভেরা জানিয়েছেন, আজ রাজপথে হাজার হাজার মানুষের এই অংশগ্রহণ প্রমাণ করেছে যে শ্রমিকরা সরকারের ওপর কতটা ক্ষুব্ধ। সরকার যদি দ্রুত দাবি মেনে না নেয়, তবে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের সাধারণ ধর্মঘট ডাকার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
