শনিবার, ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬   |   ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউরোপের দেশগুলোকে সামরিকভাবে আরও শক্তিশালী করতে এক বিশাল পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। এই পরিকল্পনায় খরচ করা হবে ১০৭ কোটি ইউরো (বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি)। এই মহাযজ্ঞে পর্তুগাল একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে যোগ দিয়েছে। ইউরোপের মোট ৫৭টি প্রতিরক্ষা প্রজেক্টের মধ্যে ১৭টিতেই পর্তুগালের বিভিন্ন কোম্পানি ও সরকারি সংস্থা সরাসরি কাজ করবে।

এই বিশাল অংকের টাকার একটি বড় অংশ খরচ করা হবে নতুন নতুন যুদ্ধ সরঞ্জাম তৈরির গবেষণায়। ব্রাসেলস থেকে জানানো হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ইউরোপকে যেকোনো হামলা থেকে রক্ষা করার জন্য এই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে আকাশপথের সুরক্ষা (এয়ার শিল্ড), ড্রোন হামলা ঠেকানোর প্রযুক্তি এবং মহাকাশ থেকে নজরদারি করার মতো আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

পর্তুগাল মূলত পানির নিচের প্রযুক্তি (আন্ডারওয়াটার সিস্টেম), ড্রোন তৈরি, মহাকাশ গবেষণা এবং উন্নত যুদ্ধবিমানের সফটওয়্যার তৈরির কাজগুলোতে অংশ নেবে। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো সমুদ্রের নিচে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র বসানো, যা পর্তুগালের নৌবাহিনী এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো দেখাশোনা করবে। এছাড়া তারা অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের ককপিট তৈরির কাজেও সাহায্য করবে।

ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, এই প্রজেক্টগুলোতে শুধুমাত্র বড় বড় কোম্পানি নয়, বরং মাঝারি ও ছোট ছোট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। যদিও পর্তুগাল এককভাবে কত টাকা পাবে তা আলাদা করে বলা হয়নি, তবে এই প্রজেক্টগুলোর মাধ্যমে পর্তুগালের প্রযুক্তি খাত এবং সামরিক বাহিনী অনেক বেশি শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version