মঙ্গলবার, ১৭ই মার্চ, ২০২৬   |   ৪ঠা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পরিবেশ দূষণ রোধে এবং প্লাস্টিক বর্জ্য কমাতে পর্তুগাল সরকার আগামী ১০ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে ‘ডেপোজিট অ্যান্ড রিটার্ন স্কিম’ চালু করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। এই নতুন নিয়মে নাগরিকরা প্লাস্টিকের বোতল বা ধাতব ক্যান নির্দিষ্ট স্থানে ফেরত দিলে নগদ অর্থ বা ডিসকাউন্ট ভাউচার পাবেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নীতিমালা মেনে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে লিসবন।

এই নিয়মে গ্রাহক যখনই প্লাস্টিকের বোতল বা ক্যানে কোনো পানীয় কিনবেন, তখন মূল দামের সাথে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ (সম্ভাব্য ১০ সেন্ট) ‘ডেপোজিট’ হিসেবে দিতে হবে। খালি পাত্রটি সুপারমার্কেট বা নির্দিষ্ট সংগ্রহ কেন্দ্রে ফেরত দিলে ওই অর্থ গ্রাহককে ফেরত দেওয়া হবে। কার্যক্রমটি সহজ করতে দেশজুড়ে ২,৫০০টি স্বয়ংক্রিয় ‘রিভার্স ভেন্ডিং মেশিন’ এবং ১২,৫০০টি ম্যানুয়াল সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে।

ভোক্তারা তাদের জমানো অর্থ কয়েকটি উপায়ে ফেরত নিতে পারবেন:

  • সরাসরি নগদ অর্থ হিসেবে।
  • সরাসরি ডিজিটাল ট্রান্সফার বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে।
  • পরবর্তী কেনাকাটায় শপিং ভাউচার বা ডিসকাউন্ট হিসেবে।
  • চাইলে কোনো দাতব্য সংস্থায় দান করার বিকল্পও থাকবে।

পর্তুগাল সরকার ২০২৬ সালের মধ্যে ব্যবহৃত বোতল ও ক্যানের ৭০% এবং ২০২৯ সালের মধ্যে ৯০% সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এছাড়া সরকার প্লাস্টিকের ব্যাগের বদলে পুনঃব্যবহারযোগ্য নেট বা কাপড়ের ব্যাগ চালুর পরিকল্পনাও করছে।

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version