শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬   |   ৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্থূলতার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের খরচের ১৫ শতাংশ বহন করবে পর্তুগাল সরকার। তবে এ সুবিধা পেতে হলে রোগীদের নির্দিষ্ট হাসপাতালভিত্তিক পর্যবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় থাকতে হবে এবং নির্ধারিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছ থেকে ওষুধের ব্যবস্থাপত্র নিতে হবে।

স্থূলতার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের বিশেষ ভর্তুকি ব্যবস্থা নির্ধারণ করে জারি করা অধ্যাদেশে এ শর্তের কথা বলা হয়েছে।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, এ সুবিধা পেতে রোগীদের নিজ নিজ স্থানীয় স্বাস্থ্য ইউনিটের (ইউএলএস) বহুমাত্রিক স্থূলতা দলের (ইএমও) অধীন অস্ত্রোপচারবিহীন হাসপাতালভিত্তিক সেবা ইউনিটে চিকিৎসা নিতে হবে। এ চিকিৎসাব্যবস্থায় শারীরিক কার্যক্রমের পরিকল্পনার পাশাপাশি পুষ্টি ও মনস্তাত্ত্বিক সহায়তাও থাকতে হবে।

এ ছাড়া রোগীদের স্থূলতায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের সমন্বিত চিকিৎসাপথ (পিসিআইপিও) অনুযায়ী সক্রিয় মেডিকেল রেকর্ড থাকতে হবে। গত বছর স্থূলতা প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক জাতীয় কর্মসূচির (পিএনপিজিও) অন্যতম প্রধান উদ্যোগ হিসেবে এ চিকিৎসাপদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ওষুধের ক্ষেত্রে ‘লেভেল ডি’ শ্রেণিতে ভর্তুকি দেওয়া হবে। তবে ব্যবস্থাপত্র অবশ্যই সংশ্লিষ্ট স্থানীয় স্বাস্থ্য ইউনিটের বহুমাত্রিক স্থূলতা দলের হাসপাতাল সেবা ইউনিটে কর্মরত এন্ডোক্রাইনোলজি, অভ্যন্তরীণ মেডিসিন অথবা শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছ থেকে নিতে হবে।

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version