বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং দেশের সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সরকার।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম আজ যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাশমোলিয়ান জাদুঘর পরিদর্শনকালে এ আগ্রহের কথা জানান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাদুঘরটির আমন্ত্রণে এ সফরে গিয়ে তিনি দুই দেশের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা, সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানো এবং বাংলাদেশের শিল্পীদের সহায়তায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
এ সময় যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবদুল মুহিতসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁর সঙ্গে ছিলেন।
সফরে বাংলাদেশি শিল্পী সোমা সুরভী জান্নাতের ‘ক্লাইমেট, কালচার, কেয়ার’ শীর্ষক প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন শামা ওবায়েদ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রদর্শনীটিকে যুক্তরাজ্যের কোনো জাদুঘরে বাংলাদেশে অবস্থানরত কোনো শিল্পীর প্রথম একক প্রদর্শনী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
জান্নাতের শিল্পকর্মের গভীরতা, ব্যাপ্তি ও সৃজনশীলতার প্রশংসা করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়া জাদুঘরের কিউরেটরিয়াল দলের সদস্যদের সঙ্গে এর নির্বাচিত সংগ্রহশালাও ঘুরে দেখেন তিনি।
পরে অ্যাশমোলিয়ান জাদুঘরের পূর্বাঞ্চলীয় শিল্পকলা বিভাগের প্রধান ও কিউরেটর ড. মালিকা কুম্বেরা ল্যান্ড্রুসের সঙ্গে বৈঠক করেন শামা ওবায়েদ। বৈঠকে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
এতে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা, সাংস্কৃতিক বিনিময় সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশের শিল্পী ও সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে সহায়তার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সমকালীন শিল্পকলার প্রতি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাড়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। পাশাপাশি পররাষ্ট্রনীতির অংশ হিসেবে সাংস্কৃতিক কূটনীতি এগিয়ে নিতে সরকারের প্রচেষ্টারও প্রতিফলন ঘটেছে।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্পর্ক জোরদারে সাংস্কৃতিক সম্পৃক্ততার গুরুত্বও এ সফরে তুলে ধরা হয়।
