বৃহস্পতিবার, ৫ই মার্চ, ২০২৬   |   ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

বৈঠকে ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্ব পেতে বাংলাদেশের প্রার্থিতার বিষয়ে যুক্তরাজ্যের সমর্থন চান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ব্রিটিশ হাইকমিশনার বাংলাদেশের প্রার্থীর যোগ্যতার প্রশংসা করেন এবং বিষয়টি লন্ডনে তার সদর দপ্তরকে অবহিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, এ বিষয়ে যুক্তরাজ্য ইতিবাচক ও যথাযথ বিবেচনা করবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ব্রিটিশ হাইকমিশনারের এই বৈঠকে দুই দেশের সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:

রোহিঙ্গা সংকট: রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বদানকারী ভূমিকা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা: অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অভিবাসন, নিরাপত্তা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য: শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যখাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে সারাহ কুক সাংবাদিকদের জানান, “পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আমি তাকে নতুন দায়িত্ব নেওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছি। বাংলাদেশের এই নতুন অধ্যায়ে দীর্ঘদিনের অংশীদার হিসেবে যুক্তরাজ্য ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে উন্মুখ।”

একই দিনে ব্রিটিশ হাইকমিশনার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সাথেও সাক্ষাৎ করেন। সেখানে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং জনশক্তি রপ্তানির মতো বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়। উভয় পক্ষই বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version