বুধবার, ২৯ই এপ্রিল, ২০২৬   |   ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে এক ঐতিহাসিক সহযোগিতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট রবার্টা মেটসোলা। এই চুক্তির ফলে কমিশন এবং পার্লামেন্টের মধ্যে কাজের সমন্বয়, জবাবদিহিতা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূলত ইউরোপের অভ্যন্তরীণ সংকট মোকাবিলা ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নিতেই এই প্রাতিষ্ঠানিক শক্তির বিন্যাস করা হয়েছে।

একই সাথে, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ২০২৮-২০৩৪ মেয়াদের জন্য ২ ট্রিলিয়ন ইউরোর একটি বিশাল বাজেটের প্রস্তাব সমর্থন করেছে। এই দীর্ঘমেয়াদী বাজেটে কৃষি, সামাজিক সংহতি এবং বাজারের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রাখার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইউরোপের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করাই এই বাজেটের অন্যতম মূল লক্ষ্য।

এই বিশাল বাজেটের অর্থ সংস্থানের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রথাগত উৎসের বাইরে নতুন রাজস্ব আদায়ের পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বা ‘ডিজিটাল জায়ান্ট’ এবং উদীয়মান খাতগুলো থেকে নতুন কর আদায়ের ধারণা নিয়ে কাজ চলছে। ইউরোপীয় নীতিনির্ধারকদের মতে, এই পদক্ষেপ কেবল বাজেটের যোগান দেবে না, বরং ডিজিটাল বাজারে একটি ভারসাম্যপূর্ণ প্রতিযোগিতার পরিবেশও তৈরি করবে।

তথ্যসূত্র: ইইউ ডিবেটস 

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version