সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬   |   ৩০ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে আশ্রয় বা আন্তর্জাতিক সুরক্ষার আবেদন ১৭ শতাংশ কমেছে। তবে একই সময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের করা আবেদন বেড়েছে ১৩ শতাংশ।

ইইউর আশ্রয়বিষয়ক সংস্থা ইউরোপীয় ইউনিয়ন এজেন্সি ফর অ্যাসাইলাম (ইইউএএ) বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ২০২৬ সালের মধ্যবর্ষের পর্যালোচনায় জানিয়েছে, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ইইউ+ অঞ্চলে প্রায় ৩ লাখ ৩২ হাজার মানুষ আন্তর্জাতিক সুরক্ষার আবেদন করেছেন। ২০২১ সালের পর কোনো বছরের প্রথম ছয় মাসে এটি সর্বনিম্ন আবেদন।

তবে বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে চিত্র ভিন্ন। এই সময়ে প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশি নাগরিক ইউরোপে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি। ফলে ইউরোপে আশ্রয়প্রার্থীদের অন্যতম প্রধান জাতীয়তা হিসেবে বাংলাদেশিদের অবস্থান এখনো গুরুত্বপূর্ণ।

ফ্রান্সে সবচেয়ে বেশি প্রায় ৬৯ হাজার আশ্রয় আবেদন জমা পড়েছে। এরপর ইতালিতে ৬৬ হাজার, স্পেন ও জার্মানিতে প্রায় ৫৫ হাজার করে আবেদন হয়েছে। এই চার দেশেই ইইউ+ অঞ্চলের মোট আবেদনের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ জমা পড়েছে।

জনসংখ্যার অনুপাতে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে গ্রিসে। দেশটিতে প্রায় ২৩ হাজার আবেদন জমা পড়েছে—অর্থাৎ প্রতি ৪০০ বাসিন্দার বিপরীতে একজন আশ্রয়ের আবেদন করেছেন।

ইইউএএ জানিয়েছে, নতুন আশ্রয়ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশসহ কিছু দেশের নাগরিকদের আবেদন সীমান্তে বা দ্রুততর প্রক্রিয়ায় যাচাই করা হতে পারে। গত ১২ জুন থেকে নতুন নিয়মের গুরুত্বপূর্ণ অংশ কার্যকর হয়েছে। ২০ শতাংশের কম সুরক্ষা-স্বীকৃতি পাওয়া দেশের নাগরিকদের আবেদন এবং ইইউর ‘নিরাপদ দেশ’ হিসেবে চিহ্নিত দেশের নাগরিকদের আবেদন দ্রুততর প্রক্রিয়ায় যাচাই করা যাবে।

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সিদ্ধান্ত হওয়া আশ্রয় আবেদনের এক-তৃতীয়াংশেরও কম ক্ষেত্রে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version