ফ্যাশন দুনিয়ার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চ ‘প্যারিস ফ্যাশন উইক’-এ এবার ইতিহাস গড়ল ১০ বছর বয়সী ম্যাক্স। বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ডিজাইনার হিসেবে এই আসরে নিজস্ব কালেকশন প্রদর্শন করে দ্বিতীয়বারের মতো গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নিজের নাম লিখিয়েছে সে। এর আগে মাত্র ৭ বছর বয়সে বিশ্বের কনিষ্ঠতম ‘রানওয়ে ফ্যাশন ডিজাইনার’ হিসেবে সে তার প্রথম বিশ্ব রেকর্ডটি গড়েছিল।
প্যারিস ফ্যাশন উইকে ম্যাক্সের সংগ্রহে থাকা ১৫টি পোশাক কেবল নান্দনিকই ছিল না, বরং এতে ছিল পরিবেশ বাঁচানোর এক জোরালো আহ্বান। তার কাজের মূল বৈশিষ্ট্য হলো ‘সাসটেইনেবিলিটি’ বা টেকসই ফ্যাশন। তার সংগ্রহের প্রায় ৯০ শতাংশই তৈরি হয়েছে ফেলে দেওয়া বা অবিক্রীত কাপড় থেকে। আশির দশকের একটি পুরনো বিয়ের পোশাককে সে অনন্য কায়দায় নতুন রূপ দিয়েছে। সে তার পোশাক তৈরিতে ব্যাগ এবং উদ্ভিজ্জ পচনশীল ফেব্রিক ব্যবহার করেছে, যা পরিবেশের কোনো ক্ষতি করে না।
ফ্যাশন শিল্পের বর্জ্য রোধে কাজ করার স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৪ সালে ম্যাক্সকে জাতিসংঘে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মাত্র ৪ বছর বয়সে ডিজাইনার হওয়ার স্বপ্ন দেখা এই বালকের বর্তমান জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার অনুসারী সংখ্যা এখন ৫০ লাখের বেশি।
সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্যাক্স খুব স্পষ্টভাবে বলেছে, সে এমন সব কাপড় উদ্ধার করে কাজ করে যা কোম্পানিগুলো ফেলে দেয়। এই খুদে প্রতিভা আজ বিশ্বের বড় বড় ডিজাইনারদের কাছে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
