রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬   |   ২৪ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ পালন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। শনিবার (৭ নভেম্বর) দূতাবাস প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে পর্তুগালে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দূতাবাসের মিনিস্টার (পলিটিক্যাল) আবদুল্লাহ আল মামুন। শুরুতে নবনিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. এস এম কামরুল হাসান জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পরে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আলোচনা পর্ব শুরু হয়।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের থার্ড সেক্রেটারি শাহেদ হোসেন। প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতালয় প্রধান এস এম গোলাম সারওয়ার। এ ছাড়া ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

আলোচনায় রাষ্ট্রদূত ড. এস এম কামরুল হাসান ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের মধ্য দিয়ে সেদিন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত হয় এবং জাতীয় সংহতির নতুন ভিত্তি তৈরি হয়।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের অবদানের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি পর্তুগালে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতেও তাঁরা ভূমিকা রাখছেন। এ সময় দূতাবাসের কনস্যুলারসহ অন্যান্য সেবা আরও জনবান্ধব করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন তিনি।

আলোচনা পর্বে পর্তুগালের বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য ও জাতীয় জীবনে দিবসটির গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য দেন।

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version