পর্তুগালের লিসবন বিমানবন্দর ও ফারো বিমানবন্দর–এ নতুন সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালুর পর ব্যাপক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা ও ধীরগতির প্রক্রিয়ার কারণে অনেক যাত্রী নির্ধারিত সময়ে ফ্লাইট ধরতে পারছেন না।
দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন ডিজিটাল সীমান্ত ব্যবস্থার অংশ হিসেবে অতিরিক্ত যাচাই প্রক্রিয়া চালু করে। এর ফলে নন-ইইউ যাত্রীদের পাসপোর্ট স্ক্যানের পাশাপাশি আঙুলের ছাপ ও ছবি সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই অতিরিক্ত ধাপগুলোর কারণে যাত্রীপ্রতি সময় বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, কিছু ক্ষেত্রে যাত্রীদের ২ থেকে ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে করে অনেকেই ফ্লাইট মিস করছেন এবং টার্মিনাল এলাকায় ভিড় বাড়ছে। বিশেষ করে ছুটির মৌসুমে যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও জনবল না থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে সামনের দিনগুলোতে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন ব্যবস্থাটি ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে। যাত্রীদের আগেভাগে বিমানবন্দরে পৌঁছানোরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
