পর্তুগালের ওয়েইরাস অঞ্চলের আলজেস এলাকায় মাকে হত্যার অভিযোগে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শ্বাসরোধ করেই সে তার মাকে হত্যা করেছে। পর্তুগিজ ভাষায় যাকে ‘মাতা-লিও’ বা চোক হোল্ড বলা হয়, সেই পদ্ধতি ব্যবহার করেই এই হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনাটি আরও হৃদয়বিদারক হয়ে উঠেছে কারণ, হত্যাকাণ্ডের সময় ওই কিশোরের চার বছর বয়সী ছোট বোনও সেখানে উপস্থিত ছিল।
৩৩ বছর বয়সী ওই মা ঠিক কখন মারা গেছেন তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে আলজেস এলাকার প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানিয়েছেন, তারা গত রাত এবং আজ সকাল—উভয় সময়ই ওই অ্যাপার্টমেন্টের চতুর্থ তলা থেকে চিৎকার ও কান্নার আওয়াজ শুনতে পেয়েছিলেন।
এ বিষয়ে আগামীকাল আরও বিস্তারিত তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে জানা গেছে, মায়ের মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা পর আজ নিজেই কিশোরটি পুলিশকে ফোন করে ঘটনার কথা জানায়। সে দাবি করেছে, মায়ের সঙ্গে ঝগড়ার জের ধরেই সে এই আক্রমণ করেছে।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পরিবারটি সম্প্রতি ওই এলাকায় নতুন বাসা নিয়েছিল, যে কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের খুব একটা চিনতেন না। জানা গেছে, পরিবারটি ব্রাজিলীয় বংশোদ্ভূত। তবে তারা কতদিন ধরে পর্তুগালে বসবাস করছিল, সে সম্পর্কে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
