বৃহস্পতিবার, ২৫ই জুন, ২০২৬   |   ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পর্তুগালে নতুন অভিবাসন ব্যবস্থা চালুর পর এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পর থেকেই দেশজুড়ে ব্যাপক অভিযানে নেমেছে দেশটির বিশেষ পুলিশ বাহিনী ‘জিএনআর’। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাস থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবৈধভাবে পর্তুগালে অবস্থানের অভিযোগে ২৪০ জনেরও বেশি বিদেশী নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ।

দেশটির প্রায় ৯৪ শতাংশ এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে পুলিশ এ পর্যন্ত ৯১ হাজারেরও বেশি বিদেশী নাগরিকের বৈধ নথিপত্র বা কাগজপত্র পরীক্ষা করে দেখেছে। এই সময়ে চালানো ৫ হাজার ৪০০টিরও বেশি আকস্মিক তল্লাশি অভিযানে হাজার হাজার অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনা বা নিয়ম ভাঙার প্রমাণ প্রকাশ পেয়েছে। এর মধ্যে পর্তুগালে ঢোকার পর নিয়ম অনুযায়ী বাধ্যতামূলক ‘প্রবেশ ঘোষণা’ না দেওয়া এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার অভিযোগই সবচেয়ে বেশি।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশেষ করে কৃষি কাজ, নির্মাণ শিল্প এবং পর্যটন খাতের মতো যে জায়গাগুলোতে বেশি বিদেশি অভিবাসীরা কাজ করেন, সেই খাতগুলোতে এখন কড়া নজর রাখা হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো অবৈধ মানব পাচার এবং কম মজুরিতে প্রবাসীদের খাটানো বা শ্রম শোষণ বন্ধ করা।

এ ছাড়া গত কয়েক মাসে পর্তুগালের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী দেশের প্রবেশপথগুলোতে ১ কোটিরও বেশি যাত্রী এবং ১ লাখের বেশি জলযান বা নৌকা-জাহাজ পরীক্ষা করেছে। সব মিলিয়ে, রেকর্ড সংখ্যক অভিবাসীর চাপ সামলাতে এবং দেশের আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পর্তুগাল সরকারের এই কঠোর অবস্থান এখন বেশ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র: দ্য প্রেসিডেন্ট 

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version