শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬   |   ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পর্তুগালের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে নার্সারি, নার্সিং হোম এবং ডে-সেন্টারগুলোর জন্য অতিরিক্ত ৪৪০ মিলিয়ন (৪৪ কোটি) ইউরো বরাদ্দ করেছে দেশটির সরকার। গত মঙ্গলবার সামাজিক খাতের বিভিন্ন সংগঠনের সাথে সরকার একটি ‘সংযোজনী চুক্তি’ স্বাক্ষরের মাধ্যমে এই বিশাল অর্থায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আগামী দুই বছর এই তহবিল শিশুযত্ন কেন্দ্র এবং বয়স্কদের আবাসনের মানোন্নয়ন ও কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যয় করা হবে।

শ্রম, সংহতি ও সামাজিক নিরাপত্তা মন্ত্রী এই পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন, শৈশব ও যুব উন্নয়নে দিবাযত্ন কেন্দ্রগুলোর জন্য বরাদ্দ ৬.৯ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর মধ্যে ঝুঁকিতে থাকা শিশু ও তরুণদের আবাসিক পরিচর্যা সংক্রান্ত বিশেষ কার্যকারী দলের সিদ্ধান্তগুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো পর্তুগালের ক্রমবর্ধমান বয়স্ক জনসংখ্যার সঠিক যত্ন নিশ্চিত করা এবং কর্মজীবী বাবা-মায়েদের জন্য শিশুযত্ন কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টেনেগ্রো উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন পারস্পরিক সমিতিগুলোর কনফেডারেশনের প্রতিনিধি লুইস আলবার্তো সিলভা প্রধানমন্ত্রীকে ‘পারস্পরিক সমিতি বিধির’ পর্যালোচনায় থাকা আইনি বাধাগুলো দূর করার অনুরোধ জানান, যাতে সামাজিক সংগঠনগুলো আরও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।

পর্তুগালের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক কল্যাণমূলক এই বিনিয়োগকে একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে মুদ্রাস্ফীতির এই সময়ে বেসরকারি সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যয়ভার বহনে এই ৪৪ কোটি ইউরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version