হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু রাখতে দুটি ধরনের নৌ-মিশন বিবেচনা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানানোর পর এই উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। লক্ষ্য হলো তেল রপ্তানি স্বাভাবিক করা এবং অপরিশোধিত তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ করা।
ইইউর পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাস বলেছেন, “হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা আমাদের স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এ বিষয়ে ইউরোপীয় পক্ষ থেকে কী করা যায়, তা নিয়েও আমরা আলোচনা করছি।” তিনি ব্রাসেলসে ইইউর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের আগে এ ঘোষণা দেন।
জ্বালানি ও সার–সংক্রান্ত পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে ইরানকে ঘিরে পরিস্থিতি এখন ইইউর অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে বলে জানান তিনি।
ক্যালাস বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন চাইলে বর্তমানে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে পরিচালিত অপারেশন অ্যাসপাইডস উরোপীয় ইউনিয়নের (EU) বিশেষ সামরিক ও নৌবাহিনী মিশনটি সম্প্রসারণ করে পারস্য উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত করতে পারে। এছাড়া সদস্য দেশগুলোকে নিয়ে একটি “ইচ্ছুক দেশগুলোর জোট” গঠন করেও প্রয়োজন অনুযায়ী সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন করা হয়। তাই এই প্রণালীতে কোনো ধরনের অস্থিরতা বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।


