ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৮টায় একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে (পিভিজি ৯৪৪৫) তাঁরা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
বিমানবন্দরে সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি ও প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় ফেরত আসা বাংলাদেশিদের জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং এবং নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর জন্য আর্থিক সহায়তা দেয় ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রত্যাশা-২ প্রকল্পের আওতায় ৩৫ জনকেই বিমানবন্দরে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে কাউন্সেলিং ও প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়া হবে।
ইউরোপ থেকে নথিপত্রহীন বা অনিয়মিত বাংলাদেশিদের ফেরত আনতে ২০১৭ সালে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরস (এসওপি) চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ সরকার। এর আওতায় এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফিরেছেন সাইপ্রাস, ইতালি, রোমানিয়া ও ফ্রান্স থেকে।
ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, গত কয়েক বছরে ইউরোপ থেকে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি ফিরেছেন ইতালি, গ্রিস ও জার্মানি থেকে। ফেরত আসা ব্যক্তিদের বিমানবন্দরে জরুরি সহায়তা ও কাউন্সেলিং দেওয়া হয়। পরে তাঁদের অর্থনৈতিক সহায়তাও দেওয়া হয়, যাতে তাঁরা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।
তিনি বলেন, ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশিরা যেন ইউরোপে না যান, সে জন্য সারা দেশে সচেতনতা তৈরির কাজ চলছে। পাশাপাশি ইউরোপ বৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
