ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বহিঃসীমান্তের নিরাপত্তা জোরদার করতে ড্রোন এবং ড্রোনপ্রতিরোধী (কাউন্টার-ড্রোন) ব্যবস্থা বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ১৩ কোটি (১৩০ মিলিয়ন) ইউরো প্রদান করছে ইউরোপীয় কমিশন।
বর্ডার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভিসা ইন্সট্রুমেন্ট (বিএমভিআই)-এর তহবিলের আওতায় এই অর্থ দেওয়া হচ্ছে। এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে এই খাতে ২৫ কোটি ইউরো বরাদ্দের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
নতুন এই তহবিল ইইউর ১৬টি সদস্য দেশ এবং সেনজেনভুক্ত ১টি সহযোগী দেশের জাতীয় কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করবে। দেশগুলো হলো—বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, রোমানিয়া, স্পেন, নেদারল্যান্ডস এবং নরওয়ে।
এই সহায়তার মূল উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- আকাশপথের সীমান্ত নজরদারি উন্নত করা।
- প্রাতিষ্ঠানিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
- নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় জাতীয় কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বাড়ানো।
এর লক্ষ্য হলো স্থল ও জলসীমা ছাড়াও বন্দর, বিমানবন্দর এবং সীমান্ত পারাপার পয়েন্টগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা। ইইউর বহিঃসীমান্তে বা এর কাছাকাছি এলাকায় অননুমোদিত ড্রোন তৎপরতা, হাইব্রিড হুমকি এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণ করার ক্ষেত্রে সীমান্ত কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বাড়াবে এই তহবিল।
পাশাপাশি ড্রোন এবং কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেমগুলোকে জাতীয় সীমান্ত নজরদারি কাঠামোর সঙ্গে একীভূত করার কাজেও এই অর্থ ব্যয় করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে আইটি উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করা।
নির্বাচিত দেশগুলোতে এই প্রকল্পের কাজ সংশ্লিষ্ট দেশের বিএমভিআই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করা হবে এবং বর্তমান প্রোগ্রামিং মেয়াদের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করতে হবে। ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই তহবিলের অর্থ ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে ইইউর বহিঃসীমান্তের নিরাপত্তা আরও জোরদার ও সুসংহত করার পাশাপাশি ইউরোপের নাগরিকদের সুরক্ষায় নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
