অবৈধভাবে কাজের সুযোগ বন্ধে ফুড ডেলিভারি, বিউটি সেলুন ও গাড়ি ধোয়ার খাতে কঠোর নজরদারি শুরু করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে সরকারের এই পদক্ষেপকে বড় ধরনের অভিযান হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ বলেছেন…
অবৈধভাবে কাজের সুযোগ অনিয়মিত অভিবাসীদের জন্য প্রলোভন তৈরি করে—এখন থেকে তা আর হবে না।
ব্রিটিশ হোম অফিস জানায়, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক বছরে ৮ হাজারেরও বেশি অনিয়মিত অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে—যা আগের বছরের তুলনায় ৬৩ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে অন্তত এক হাজার ৫০ জনকে ইতিমধ্যেই নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
লেবার পার্টি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই অভিবাসন ইস্যুতে জনঅসন্তোষ বাড়ছে। ডানপন্থি রিফর্ম ইউকে পার্টির চাপের মুখে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, অনিয়মিত পথে যুক্তরাজ্যে প্রবেশকারীদের সংখ্যা কমানো হবে।
একই সঙ্গে অবৈধভাবে কাজের সুযোগ বন্ধে চালু হচ্ছে ডিজিটাল আইডি সিস্টেম। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন…
যুক্তরাজ্যে কাজ করতে হলে সবার জন্য বাধ্যতামূলক হবে ডিজিটাল পরিচয়পত্র।
সরকার বলছে, ডিজিটাল আইডি চালু হলে মানবপাচারকারীদের চক্র ভেঙে পড়বে, আর কোনো শ্রমিক জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে কাজ করতে পারবে না।
ডেলিভারু, জাস্ট ইট ও উবার ইটসের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো ইতিমধ্যে সরকারের সঙ্গে নতুন চুক্তি করেছে, যাতে অবৈধ শ্রমিক শনাক্তে তথ্য ভাগাভাগি করা হবে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো অবশ্য সরকারের এই কঠোর অবস্থানের সমালোচনা করছে। তাদের মতে, এসব পদক্ষেপে অভিবাসী ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের মধ্যে বৈষম্য ও বিদ্বেষ বাড়তে পারে।
