বৃহস্পতিবার, ২৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬   |   ৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) অভিবাসন সংকট মোকাবিলায় ‘উদ্ভাবনী’ সমাধানে অর্থায়নের জন্য ‘পর্যাপ্ত সম্পদ খুঁজে বের করতে হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন গ্রিসের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাসোস হাতজিভাসিলেউ। এসব সমাধানের মধ্যে ইইউর বাইরে অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

ইউরোপ টুডেকে তিনি বলেন, “অভিবাসন নিয়ে আমরা যদি কোনো উদ্ভাবনী উদ্যোগ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিই, তাহলে ইউরোপকে এর জন্য পর্যাপ্ত অর্থের সংস্থান করতে হবে।” তিনি বলেন, বর্তমানে আলোচনায় থাকা ইইউর পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদি বাজেট এ সমস্যার সমাধানে অর্থ জোগানের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

গ্রিসসহ অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস—এই পাঁচটি দেশ ইইউতে থাকার বৈধ অধিকার নেই এমন অভিবাসীদের ফেরত পাঠাতে ইইউর বাইরে কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা দ্রুত এগিয়ে নিতে চাইছে। গত জুনে অনুমোদিত ইইউর সংশোধিত অভিবাসন নীতিতে সদস্য দেশগুলোকে তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি করে তাদের ভূখণ্ডে এ ধরনের কেন্দ্র স্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এসব ফেরত পাঠানোর কেন্দ্রের পুরো খরচ সংশ্লিষ্ট ইইউ দেশকেই বহন করতে হবে। তৃতীয় দেশগুলোকে এ ধরনের চুক্তিতে রাজি করাতে অতিরিক্ত অর্থ, বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব বা অন্যান্য প্রণোদনাও দেওয়া যেতে পারে। তবে ইইউর পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদি বাজেট নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই এসব কেন্দ্রের খরচ ব্রাসেলসকেও বহনের দাবি জোরালো হচ্ছে।

স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতায় বিপুলসংখ্যক অভিবাসীর প্রবেশের ঘটনায় বিষয়টি ইউরোপের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে। ২০২৭ সালে ইইউর বেশ কয়েকটি দেশে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন সামনে থাকায় অভিবাসনও অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠছে।

এই পাঁচ দেশের প্রতিনিধিরা আগামী শনিবার মিউনিখে আবার বৈঠকে বসবেন। একই সময়ে একটি সম্মেলনে ইইউর ১৭ জন অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী এবং ইইউর অভিবাসনবিষয়ক প্রধান ম্যাগনুস ব্রুনারও অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version