বৃহস্পতিবার, ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬   |   ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণ না দেখা গেলেও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে পর্তুগাল। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনের আগেই আগামী রোববার এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। খবর বিবিসির। 

ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াও একই ধরনের ঘোষণা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

তবে ইসরায়েল এই পদক্ষেপের কড়া বিরোধিতা করেছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একে ‘সন্ত্রাসকে পুরস্কৃত করার শামিল’ বলে মন্তব্য করেছেন। তার দাবি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করবে।

ইসরায়েলের প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রও একই অবস্থান নিয়েছে। লন্ডন সফরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের সঙ্গে তিনি একমত নন।

জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে প্রায় তিন-চতুর্থাংশই ইতিমধ্যে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ২০১২ সালে জাতিসংঘে ফিলিস্তিনকে অবজারভার স্টেট মর্যাদাও দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, মঙ্গলবার শুরু হতে যাওয়া ইউএনজিএ অধিবেশন ঘিরে যখন বিশ্বনেতারা নিউইয়র্কে জড়ো হচ্ছেন, তখন গাজা সিটিতে ইসরায়েলের ট্যাংক ও সেনাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। এই স্থল অভিযানে হাজার হাজার মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য করা হয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাস নেতৃত্বাধীন হামলায় প্রায় ১,২০০ মানুষ নিহত ও ২৫১ জন জিম্মা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, এরপর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৫ হাজার ১৪১ জন নিহত হয়েছেন।

শেয়ার
মতামত দিন...

Exit mobile version