পর্তুগালের লিসবনের একটি পিজ্জার দোকান বিশ্বের সেরা ৫০টি পিজ্জার দোকানের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। চলতি বছর তালিকায় জায়গা পাওয়া একমাত্র পর্তুগিজ রেস্তোরাঁও এটি।
শেফ টঙ্কা সাপকোটা পরিচালিত ফোরনো দ’ওরো ২০২৬ সালের ৫০ টপ পিজ্জা ওয়ার্ল্ড র্যাঙ্কিংয়ে ৪৯তম হয়েছে। গত বছরের তুলনায় ১২ ধাপ এগিয়েছে রেস্তোরাঁটি।
গত তিন বছর ধরে তালিকায় ফোরনো দ’ওরোর অবস্থানের ধারাবাহিক উন্নতি হয়েছে। ২০২৪ সালে ৭৩তম, ২০২৫ সালে ৬১তম এবং এবার ৪৯তম অবস্থানে রয়েছে এটি। চলতি বছর ইউরোপের সেরা পিজ্জার দোকানগুলোর তালিকায় নবম হয়েছে লিসবনের এই রেস্তোরাঁ।
লিসবনের রুয়া আরতিলহারিয়া ১-এ অবস্থিত ফোরনো দ’ওরো মূলত নেপলসের ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে তৈরি পিজ্জার জন্য পরিচিত। পিজ্জার ময়দা ৩৬ ঘণ্টা ধীরে ধীরে ফারমেন্ট করার পর নেপলস থেকে আনা কাঠের চুলায় প্রায় ৪৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এটি বেক করা হয়। এত বেশি তাপমাত্রায় একটি পিজ্জা তৈরি হতে সময় লাগে এক মিনিটেরও কম।
২০১৪ সালে রেস্তোরাঁটি চালু করেন নেপালে জন্ম নেওয়া শেফ টঙ্কা সাপকোটা। লিসবনের ইতালীয় খাবারের জগতে ইতোমধ্যে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন তিনি।
পর্তুগাল গ্লোবালের তথ্য অনুযায়ী, ফোরনো দ’ওরোর বিশেষ চুলাটি নেপলস থেকে লিসবনে এনে টুকরো টুকরো করে জোড়া লাগানো হয়েছিল। চুলাটিতে সোনার পাত দিয়ে সাজানো হয়েছে। রেস্তোরাঁটির নাম Forno d’Oro, যার অর্থ ‘সোনার চুলা’—এই বিশেষ চুলা থেকেই নামটি নেওয়া।
এবারের বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে প্রথম হয়েছে লন্ডনের নাপোলি অন দ্য রোড। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে নিউইয়র্কের উনা পিজ্জা নাপোলেতানা এবং মিলানের কনফিনে।
বিশ্বের সেরা ১০০ পিজ্জার দোকানের তালিকায় সবচেয়ে বেশি প্রতিনিধিত্ব রয়েছে ইতালির। দেশটির মোট ৩১টি পিজ্জার দোকান তালিকায় জায়গা পেয়েছে।
৪৯তম অবস্থানে থাকা ফোরনো দ’ওরোর আগে ৪৮তম হয়েছে ফিলিপাইনের মাকাতির আ মানো। আর ৫০তম অবস্থানে রয়েছে চীনের বেইজিংয়ের বোটেগা।
