পর্তুগালের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও “সাফল্যের” ধারা অব্যাহত রাখতে দেশটিতে আরও বেশি অভিবাসী প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন পর্তুগিজ প্রবাসী সম্প্রদায়ের সেক্রেটারি অব স্টেট এমিন্দিও সুসা। গত বৃহস্পতিবার লিসবনের বেলেন কালচারাল সেন্টারে আয়োজিত ‘ফোরাম পর্তুগাল নাছাও গ্লোবাল’-এ বক্তব্য রাখার সময় তিনি অভিবাসীদের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পর্তুগাল এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে দেশের শ্রমবাজার সচল রাখতে বিদেশি কর্মীদের কোনো বিকল্প নেই।
সেক্রেটারি অব স্টেট তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, অনেক কাজই এখন স্থানীয় পর্তুগিজরা আর করতে চাইছেন না, যা মূলত দেশটির অর্থনৈতিক উন্নতিরই একটি প্রতিফলন। তার মতে, পর্তুগাল “সাফল্য” অর্জন করেছে বলেই এখন বিভিন্ন শূন্যস্থান পূরণে অন্য দেশ থেকে কর্মী নিয়ে আসতে হচ্ছে। অভিবাসীদের কারণে বেতন কমে যাচ্ছে এমন প্রচলিত ধারণা নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, বিশেষ করে কম দক্ষতামূলক কাজগুলোর ক্ষেত্রে পর্তুগাল আগামী দিনগুলোতেও বিদেশি কর্মীদের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল থাকবে।
বিদেশে থাকা পর্তুগিজ প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কেবল দেশে ফেরার ব্যাপারে “আচ্ছন্ন” না হয়ে তারা যেখানে আছেন সেখানেই থেকে পর্তুগালের সাথে অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদার করলে দেশ একটি প্রকৃত “গ্লোবাল নেশন” হিসেবে গড়ে উঠবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমেই দেশে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে, যা পর্তুগিজদের গড় বেতন বৃদ্ধিতেও সহায়ক হবে। তার এই বক্তব্য পর্তুগালে বসবাসরত এবং নতুনভাবে আসার পরিকল্পনা করা অভিবাসীদের জন্য একটি বড় ধরনের ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: এসপ্রেসো


