মানবাধিকার রক্ষায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর দ্বিমুখী নীতি এবং আন্তর্জাতিক আইন রক্ষায় চরম ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। ২০ এপ্রিল প্রকাশিত সংস্থার সর্বশেষ বৈশ্বিক প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ইউরোপের দেশগুলো বর্তমানে “শিকারি” শাসকদের সামনে “ভীরুতা” ও “তোষণ নীতি” গ্রহণ করেছে।
অ্যামনেস্টি প্রধান অ্যাগনেস ক্যালামার্ড সরাসরি ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ভ্লাদিমির পুতিনকে বিশ্বের শীর্ষ “শিকারি” শাসক হিসেবে অভিহিত করে বলেন, আমরা এমন এক যুগে বাস করছি যেখানে গণতান্ত্রিক সরকারগুলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস হারিয়েছে।
প্রতিবেদনে বিশেষভাবে জার্মানি, ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্যের কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, গাজায় ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গণহত্যার মতো পরিস্থিতি চললেও এই দেশগুলো ইসরায়েলে নিরবচ্ছিন্নভাবে অস্ত্র সরবরাহ করে যাচ্ছে। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলেও গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলের প্রতি নমনীয়তা দেখানোকে ইউরোপের “দ্বিমুখী নীতি” হিসেবে চিহ্নিত করেছে অ্যামনেস্টি।
সংস্থাটি সতর্ক করে দিয়েছে যে, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারীদের পার পাইয়ে দেওয়ার এই প্রবণতা বিশ্বজুড়ে স্বৈরাচারী শাসকদের আরও উসকে দিচ্ছে এবং মানবাধিকার রক্ষার বৈশ্বিক ব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।


