পর্তুগিজ পাসপোর্ট বিশ্বের শীর্ষ ৩০টির মধ্যে স্থান পেয়েছে, যদিও গত বছরের তুলনায় এটি চার ধাপ পিছিয়ে এসেছে। সুইডেন এই তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে। গ্লোবাল সিটিজেন সলিউশনস-জিসিএস (GCS) ২০০টি দেশ ও তাদের পাসপোর্টকে তিনটি মূল মানদণ্ডে বিশ্লেষণ করেছে। যাতায়াত সুবিধা, জীবনমান, এবং বিনিয়োগ।
পর্তুগাল বিশ্বের র্যাংকিংয়ে ২৮তম অবস্থান অর্জন করেছে। এতে পর্তুগিজ পাসপোর্টধারীরা ১২৪টি দেশে ভিসা-মুক্ত বা আগমনের সময় ভিসা পেতে পারেন। জিসিএস(GCS)-এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পর্তুগিজ পাসপোর্ট বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় পাসপোর্ট, যার মোবিলিটি এবং জীবনমানের দিক থেকে খুবই উচ্চ মানদণ্ড।
বিশেষভাবে, পর্তুগিজ পাসপোর্ট মোবিলিটি এবং জীবনমানের দিক থেকে বিশ্বের ১৩তম সেরা, তবে বিনিয়োগকারীদের জন্য এটি ৬০তম স্থানে রয়েছে। পাসপোর্টধারীরা যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ফ্রান্স, চীন, জাপান, আন্দোরা, অস্ট্রিয়া ও বেলজিয়ামের মতো দেশে ভিসা-মুক্ত প্রবেশাধিকার পেতে পারেন। তবে আফগানিস্তান, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, আলজেরিয়া, এরিত্রিয়া, ঘানা এবং লাইবেরিয়ার মতো প্রায় ১৩টি দেশে ভিসা প্রয়োজন।
২০২৫ সালে তালিকার শীর্ষ দশটির মধ্যে নয়টি অবস্থান ইউরোপের দেশগুলোই দখল করেছে। যুক্তরাষ্ট্র গত চার বছরে প্রথম স্থান থেকে ১৪তম স্থানে নেমেছে, যা ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পতন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পতনের কারণ হিসেবে রাজনৈতিক ধ্রুবকরণ এবং ক্রমবর্ধমান সীমাবদ্ধ অভিবাসন নীতি উল্লেখ করা হয়েছে।
