যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এক ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছেন। জেফরি এপস্টাইনের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগে অভিযুক্ত পিটার ম্যান্ডেলসনকে ওয়াশিংটনে বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই অস্থিরতার সূত্রপাত। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদপত্র ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, ম্যান্ডেলসন তার গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ছাড়পত্র পেতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে জাতীয় নিরাপত্তা তোয়াক্কা না করে এমন উচ্চপদে নিয়োগ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর বিচারবুদ্ধি এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে।
বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি ব্যাডেনখ সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে একে ‘জাতীয় নিরাপত্তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। লিবারেল ডেমোক্র্যাট নেতা এড ডেভি সতর্ক করেছেন যে, পার্লামেন্টে মিথ্যা তথ্য দিলে প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকার অধিকার থাকবে না। যদিও স্টারমার দাবি করেছেন যে ম্যান্ডেলসন এপস্টাইনের সাথে তার সম্পর্কের বিষয়ে সরকারকে ভুল তথ্য দিয়েছিলেন, তবুও নিরাপত্তা ছাড়পত্র ছাড়া নিয়োগের বিষয়টি এখন সরকারের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত বছর দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র কয়েক মাসের মাথায় বরখাস্ত হওয়া ম্যান্ডেলসনকে নিয়ে এই নতুন বিতর্ক স্টারমার প্রশাসনের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে।


