পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের কেন্দ্রস্থলে পুলিশের উপস্থিতি বাড়িয়েছে দেশটির জননিরাপত্তা পুলিশ (PSP)। তবে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, সহিংসতা ঠেকাতে এ উদ্যোগ নিতে অনেক দেরি হয়ে গেছে।
গত ১০ আগস্ট রুয়া অগুস্তা এলাকায় এক সুইডিশ পর্যটক পথচারী অবস্থায় ছোড়া গুলিতে আহত হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর লিসবনে পুলিশ মোতায়েন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে এর কয়েক দিন পরই, গত ১৬ আগস্ট রোববার, দিনের আলোতে আবারও সহিংসতার ঘটনা ঘটে কাইস দো সোদেরেতে। সেখানে ২৫ বছর বয়সী এক তরুণ ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে পরে হাসপাতালে মারা যান।
নতুন করে সহিংসতার ঘটনা ঠেকাতে এবার নিয়মিত PSP সদস্যদের সঙ্গে পুলিশের বিশেষ হস্তক্ষেপ ইউনিটও যুক্ত করা হয়েছে।
তবে ওই এলাকার দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীরা বলছেন, লিসবনের কেন্দ্রীয় এলাকার আগের চেহারা আর নেই। ২০ বছরের বেশি সময় ধরে সেখানে ব্যবসা করা এক দোকানি অ্যালিস বাতিস্তা এসআইসিকে বলেন, “পুলিশের উপস্থিতি আরও বেশি থাকলে মানুষ নিরাপদ বোধ করত এবং এসব ঘটনা ঘটত না।”
পিএসপি-এর নতুন কৌশলের আওতায় রাস্তায় পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানোর পাশাপাশি যেকোনো ঘটনায় দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতাও নিশ্চিত করা হবে।
এদিকে পর্তুগালের অভ্যন্তরীণ প্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই এলাকায় ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার তথ্য পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি এসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়েছে, তাও মূল্যায়ন করা হবে।


