পর্তুগালের আবাসনমন্ত্রী মিগুয়েল পিন্তু লুজ বলেছেন, আবাসনের অধিকারের দাবিতে আন্দোলনরত সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসতে তিনি আগ্রহী। তবে এ জন্য কিছু শর্ত রয়েছে, যা পোর্তো সিটি হলের বাইরে অপেক্ষমাণ বিক্ষোভকারীরা পূরণ করেননি বলে মনে করেন তিনি।
মেয়র পেদ্রো দুয়ার্তের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিতে সিটি হলে পৌঁছানোর সময় একদল বিক্ষোভকারী তাঁকে ঘিরে স্লোগান দিতে থাকেন। এ পরিস্থিতিতে মন্ত্রী বলেন, ‘তাঁরা যদি আমার কথা শুনতে চান, তাহলে আমিও তাঁদের কথা শুনতে প্রস্তুত। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে তা অসম্ভব।
আবাসনের অধিকারের দাবির প্রতি তাঁর ‘পূর্ণ সহমর্মিতা’ রয়েছে উল্লেখ করে পিন্তু লুজ বলেন, তিনি খোলামেলা আলোচনায় আগ্রহী।তিনি বলেন, ‘আমি এখানে এসেছি খোলামেলাভাবে, সম্পূর্ণ শান্ত থেকে। আমি পালিয়ে যাচ্ছি না। তবে আমাদের একে অপরের কথা শুনতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, গত আড়াই বছরে এডি সরকারের সময়ে তাঁর মন্ত্রণালয় Porta-a-Porta ও Casa Para Viver-এর মতো কয়েকটি সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করেছে। সরকার এখনো আলোচনার এই অবস্থানেই রয়েছে।
পিন্তু লুজের দাবি, আবাসন সংকট সমাধানে গত আড়াই বছর ধরে কাজ করছে সরকার এবং এর ফলও দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। তবে সরকারের নীতির সঙ্গে সবাই একমত নন বলেও স্বীকার করেন তিনি।
বৈঠক শেষে পোর্তোর মেয়র পেদ্রো দুয়ার্তে বলেন, আবাসনের অধিকারের দাবিতে আন্দোলনরত সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনার জন্য পোর্তো সিটি কাউন্সিলের দরজা খোলা রয়েছে। আলোচনার জন্য এটিই উপযুক্ত জায়গা।
এদিন সকালে পোর্তোয় যান পিন্তু লুজ। সেখানে কয়েকটি সহযোগিতা চুক্তি সই করেন তিনি। এসব চুক্তির মধ্যে রয়েছে এসত্রাদা দা সিরকুনভালাসাওয়ের পুনর্নির্মাণ, ভিয়া সিরকুলার এক্সতেরনা নাসেন্তে (ভিসিইএন) ও ভিয়া সিরকুলার এক্সতেরনা পোনেন্তে (ভিসিইপি) প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই এবং ক্যাম্পো আলেগ্রে ও কাসা দা মুসিকা–রবার্তো ফ্রিয়াস করিডরে লাইট রেল চালুর প্রাথমিক সমীক্ষা। শেষের প্রকল্পটি মেট্রো দো পোর্তোর সঙ্গে যৌথভাবে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।


