পর্তুগালের অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে সরকার একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও কার্যকর পথ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্সি মন্ত্রী আন্তোনিও লেইতাও আমারো। তিনি জানান, বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপে প্রায় ৫ লক্ষ অভিবাসীকে নিয়মিত বা বৈধ করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে অভিবাসীরা যেমন মর্যাদাপূর্ণ জীবনের নিশ্চয়তা পেয়েছেন, তেমনি রাষ্ট্র এখন জানে কারা এই দেশে আছেন এবং কী কাজ করছেন।
সম্প্রতি ‘অবসার্ভাদর’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক নিবন্ধে মন্ত্রী তাঁর সরকারের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের ‘শিথিল নীতি’র কারণে হাজার হাজার অভিবাসী অনিশ্চয়তায় ছিলেন এবং স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশের পথ বন্ধ করে আইনি ও নিরাপদ উপায়ে প্রবেশের সুযোগ প্রশস্ত করেছে। মন্ত্রীর মতে, চরমপন্থা ও বিভাজনের রাজনীতির বিপরীতে পর্তুগাল মানবিকতা এবং কঠোর আইনি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়েও পর্তুগাল তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা জোরদার করছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ‘ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন ফোরাম’-এ অংশ নিয়ে মন্ত্রী ঘোষণা করেন যে, পর্তুগাল জাতিসংঘের অভিবাসন তহবিলে ৬ লক্ষ ডলার অনুদান দেবে। এছাড়া, একটি নতুন ‘জাতীয় একীভূতকরণ পরিকল্পনা’ চালুর পাশাপাশি অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের নিজ দেশে স্বেচ্ছায় ফিরে যাওয়ার জন্য বিশেষ প্রণোদনা এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে ‘রিটার্ন সিস্টেম’ সংস্কার করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার।
তথ্যসূত্র: অবজার্ভারডর


